অফিসিয়াল নিউজ ও প্রেস রিলিজ — ctgpressclub.bd
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আরও সমসাময়িক প্রতিবেদন ও খবর

নাহিদ ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামের গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এখনো ফ্যাসিবাদের দোসররা রয়ে গেছে। দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নাৎসি বাহিনীকে সমর্থন দেওয়া বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিকদেরও বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণহত্যায় সরাসরি অংশ না নিলেও যারা গণহত্যার পক্ষে জনসম্মতি তৈরি করেছে, নৈতিকভাবে তারাও অপরাধী। তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে। গণমাধ্যমে যারা গণহত্যার পক্ষে সম্মতি উৎপাদন করেছে, তাদের বিচার নতুন সরকার নিশ্চিত করবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।
গত (৩ মার্চ) সোমবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামের গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এখনো ফ্যাসিবাদের দোসররা রয়ে গেছে। দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নাৎসি বাহিনীকে সমর্থন দেওয়া বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিকদেরও বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মিডিয়া সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, গণমাধ্যম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এ খাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। মিডিয়া সংস্কার করতেই হবে। গত ১৬-১৭ বছরে গণমাধ্যমের ভূমিকা, স্বনিয়ন্ত্রণমূলক সেন্সরশিপ এবং বিভিন্ন নির্বাচনে ভোট কারচুপির বিষয়ে গণমাধ্যমের ভূমিকা কারও অজানা নয়। গণমাধ্যম কীভাবে প্রভাবিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়েছে, তা সাংবাদিকেরা আরও ভালো জানেন। প্রেস ক্লাবগুলোও কীভাবে একটি দলের নিয়ন্ত্রণে ছিল, তা দেখা গেছে।

গণঅভ্যুত্থানের পর গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের দায়িত্বশীলতার জায়গা থেকে সংস্কার করবে বলে প্রত্যাশা ছিল উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, কিন্তু সেই দায়িত্বশীলতা দেখা যায়নি। এখনো গণমাধ্যমের ভেতরে ফ্যাসিবাদের একটি বড় অংশ রয়ে গেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ হত্যা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমন কোনো বক্তব্য দেননি, অথচ বিষয়টি গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়েছে। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি পরিষ্কার করেছে। এভাবে গণমাধ্যমে বিভিন্ন ন্যারেটিভ তৈরি করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া, পতিত স্বৈরাচারী সরকারের পক্ষে জনমত তৈরি এবং বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, এসব বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং গণমাধ্যমের ভেতরে থাকা পক্ষপাত ও অনিয়মের জায়গাগুলো চিহ্নিত করতে হবে।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিএমইউজে) সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন সিএমইউজের সভাপতি শাহনওয়াজ, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক জোবাইরুল হাসান আরিফ, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব সাগুফতা বুশরা মিশমা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক এ এস এম সুজা উদ্দিন, প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, গ্রন্থাগার সম্পাদক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম ও কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি ডেইজি মওদুদ, যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মো. আরিফ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রূপম চক্রবর্তী, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ। এ ছাড়া এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও জুলাই যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।
জামালখান সড়ক, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ • ইমেইল: info@ctgpressclub.bd
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত যাবতীয় সংবাদ, বিজ্ঞপ্তি ও ছবিসমূহের সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। যেকোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই বা অনুসন্ধানে আমাদের সচিবালয়ে যোগাযোগের অনুরোধ করা যাচ্ছে।
সাংবাদিকদের ভূমিকা প্রসঙ্গে পুলিশ কমিশনার বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। পুলিশের কোনো কর্মকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিকরা প্রতিবেদন প্রকাশ করলে সেটিকে নেতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ নেই। বরং প্রতিবেদনটি গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো অনুধাবন করতে হবে।

২ মাস আগে
সাংবাদিক সম্মেলন, মতবিনিময় সভা ও প্রাতিষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের জন্য প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জ ও অডিটোরিয়াম বুকিং করুন।
হল ও ফি তালিকা দেখুন