অফিসিয়াল নিউজ ও প্রেস রিলিজ — ctgpressclub.bd
এ চুক্তির আওতায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাঁদের নির্ভরশীল সদস্যরা ইবনে সিনা ট্রাস্টের বিভিন্ন শাখা থেকে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে বিশেষ ছাড় পাবেন। এর ফলে তাঁদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে ব্যয় সাশ্রয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ইবনে সিনা ট্রাস্টের সঙ্গে করপোরেট চুক্তি স্বাক্ষর করেছে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব। এ চুক্তির আওতায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাঁদের নির্ভরশীল সদস্যরা ইবনে সিনা ট্রাস্টের বিভিন্ন শাখা থেকে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে বিশেষ ছাড় পাবেন। এর ফলে তাঁদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে ব্যয় সাশ্রয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তিপত্রে ইবনে সিনা ট্রাস্টের পক্ষে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র এজিএম অ্যান্ড হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মো. আশরাফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম শাখার ম্যানেজার (অ্যাডমিন) অ্যান্ড ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলাম এবং সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার ও জোনাল ইনচার্জ (বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) আসিফ নেওয়াজ। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের পক্ষে স্বাক্ষর করেন সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ। এতে বক্তব্য দেন প্রেস ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহ নওয়াজ, সিনিয়র সহসভাপতি মুস্তফা নঈম, সিএমইউজের সাধারণ সম্পাদক ও কার্যকরী সদস্য সালেহ নোমান, যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মো. আরিফ, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রূপম চক্রবর্তী, ক্রীড়া সম্পাদক মো. রুবেল খান, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল এবং সিনিয়র সাংবাদিক সিরাজুল করিম মানিক।
ইবনে সিনা ট্রাস্টের পক্ষে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম শাখার সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার অ্যান্ড হেড অব কাস্টমার কেয়ার মো. হাসান, করপোরেট উইংয়ের অফিসার নুরুল আমিন ও মঈনুল হাসান। এ ছাড়া চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য ও কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ইবনে সিনা ট্রাস্টের সিনিয়র এজিএম অ্যান্ড হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, “ইবনে সিনা ট্রাস্ট কোনো ব্যক্তি-মালিকানাধীন লাভজনক প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি ট্রাস্টভিত্তিক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। ব্যবসা আমাদের প্রধান লক্ষ্য নয়, সেবাই মূল উদ্দেশ্য। তাই কম খরচে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মাধ্যমে আমরা চট্টগ্রামের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, এ করপোরেট চুক্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাঁদের নির্ভরশীল সদস্যদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য হবে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে তাঁদের ব্যয় সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হবে।
ইবনে সিনা ট্রাস্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি বলেন, “সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যসেবার কল্যাণে এগিয়ে আসায় ইবনে সিনা কর্তৃপক্ষকে সাধুবাদ জানাই। ইবনে সিনার যেকোনো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সবসময় পাশে থাকবে।”
জামালখান সড়ক, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ • ইমেইল: info@ctgpressclub.bd
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত যাবতীয় সংবাদ, বিজ্ঞপ্তি ও ছবিসমূহের সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। যেকোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই বা অনুসন্ধানে আমাদের সচিবালয়ে যোগাযোগের অনুরোধ করা যাচ্ছে।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আরও সমসাময়িক প্রতিবেদন ও খবর
ক্লাবের খবরএ চুক্তির আওতায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সকল সদস্য ও তাদের নির্ভরশীল সদস্যরা এপিক হেলথ কেয়ারের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা বিশেষ সুবিধার মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবেন।
ক্লাবের খবরউন্নত ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিমিটেড ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের মধ্যে একটি কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় প্রেস ক্লাবের সদস্য, তাদের নির্ভরশীল সদস্য এবং কর্মকর্তা–কর্মচারীরা হাসপাতালের বিশেষায়িত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা বিশেষ সুবিধায় গ্রহণ করতে পারবেন।
ক্লাবের খবরভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত মালিক হচ্ছে বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণ। এই গণঅভ্যুত্থানের দাবিদার কিন্তু আমি, আপনি বা মঞ্চে দাঁড়ানো কেউ না। এই যেদিন মনে করেছে তারা—আর এ নির্যাতন নয়, আর এ দুঃশাসন নয়, আর এ স্বৈরাচারী সরকারের অধীনে থাকা নয়, আর নয় কোনো পার্শ্ববর্তী দেশের তাবেদারি করা; সেদিনই জুলাই অভ্যুত্থানের চূড়ান্ত ফলাফল এসেছে। এই জিনিসটা আমাদের অনুধাবন করতে হবে এজন্য, কারণ জুলাই-আগস্টে যারা শহীদ হয়েছেন, যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, যারা আহত হয়েছেন—একই সাথে বিগত ১৭ বছরে এই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে, বাংলাদেশীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যত লক্ষ লক্ষ লোক নির্যাতন, হামলা-মামলা, গুম, খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের প্রতি চরম অবিচার করা হবে; বাংলাদেশের প্রতি চরম অবিচার করা হবে যদি আমরা এটা অস্বীকার করি।

৩ মাস আগে
সাংবাদিক সম্মেলন, মতবিনিময় সভা ও প্রাতিষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের জন্য প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জ ও অডিটোরিয়াম বুকিং করুন।
হল ও ফি তালিকা দেখুন