চট্টগ্রামের চলচ্চিত্র ও নাট্য আন্দোলনেও তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি ১৯৯০ সালের অন্যতম ছাত্র নেতা। ইস্টার্ন রিফাইনারী মডেল হাই স্কুল ও হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়ন করেন। তিনি অভিনয় বিষয়ে শিল্পকলা একাডেমী থেকে ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেন। তাছাড়াও আলোকচিত্র ও চলচ্চিত্র বিষয়ে তিনি বেসিক কোর্স সম্পন্ন করেছেন। নাটক, চলচ্চিত্র ও সাংবাদিকতা বিষয়ে প্রায় দেড় শতাধিক কর্মশালায় তিনি অংশগ্রহণ করেন。
জীবনবৃত্তান্ত ও কর্মজীবন
চট্টগ্রামের চলচ্চিত্র ও নাট্য আন্দোলনেও তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি ১৯৯০ সালের অন্যতম ছাত্র নেতা। ইস্টার্ন রিফাইনারী মডেল হাই স্কুল ও হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়ন করেন। তিনি অভিনয় বিষয়ে শিল্পকলা একাডেমী থেকে ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেন। তাছাড়াও আলোকচিত্র ও চলচ্চিত্র বিষয়ে তিনি বেসিক কোর্স সম্পন্ন করেছেন। নাটক, চলচ্চিত্র ও সাংবাদিকতা বিষয়ে প্রায় দেড় শতাধিক কর্মশালায় তিনি অংশগ্রহণ করেন।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ছিলেন তিনি। চট্টগ্রাম চলচ্চিত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে ১৯৯১ থেকে ৯২ পর্যন্ত দায়িত্ব পালনও করেন। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম চলচ্চিত্র কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসাবে ১৯৯৩ সাল থেকে ২০০০ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম চলচ্চিত্র কেন্দ্রের সভাপতি। তিনি বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরাম ও চট্টগ্রাম ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সদস্য। তাছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার, চট্টগ্রামের সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে গনায়ক নাট্য সম্প্রদায়ের সদস্য হন। ‘পথনাট্য সম্প্রদায়’ নামে নিজে একটি পথনাটকের দল গঠন করে ছিলেন। তিনি দীপ্ত পদাবলী, লেমসে খালি থেকে প্রেমাসিয়া, রুনু বিশ্বাস’সহ বেশ কয়েকটি স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের নির্মান কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি মোট ১৭টি মঞ্চ নাটক নির্দেশনা দেন এবং ২০টির অধিক মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেন。
তিনি দি বাংলাদেশ পোস্ট, দি এশিয়ান এইজের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান ও বিশেষ প্রতিবেদক এবং দৈনিক সকালের খবর-এ চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান ও বিশেষ প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করেন। তিনি জাতীয় ইংরেজি দৈনিক দি ইন্ডিপেনডেন্ট পত্রিকার চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান ও বিশেষ প্রতিবেদক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি জাতীয় বাংলা দৈনিক মুক্তকণ্ঠের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়াও তিনি দৈনিক ঈশান ফিচার সম্পাদক পদে কাজ করেছেন। তিনি সমকাল, পূর্বকোণ, আজাদীসহ নানা পত্রিকায় বিভিন্ন সময় কাজ করেন。
তিনি চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) এর সভাপতির (২০১৮ থেকে ২০২০) দায়িত্ব পালন করেন । তাছাড়া তিনি চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) এর পর পর দুই বার সাধারণ সম্পাদক (২০০৮ থেকে ২০১২) নির্বাচিত হন ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচিত সদস্য হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন。
নাজিমুদ্দীন শ্যামলের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ২২টি। এর মধ্যে রয়েছে— রোদগুলো হেঁটে এলো পড়ন্ত বিকেলে (২০২৩), তোমাদের শহর ছেড়ে এলাম (২০২২), হারিয়ে যাওয়া হাতগুলো (২০১৮), ঘুমের বাজার (২০১৬), অলৌকিক এই পরিব্রাজন (২০১৫), দুঃখ পুরাণ (২০১৩), মেঘের ষ্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকি (২০১৩), পুরাতন সিন্দুকের পুস্তান (২০০৮), সে কথা পাখিরা জানে না (২০০১), নিসর্গের প্রতিবেশী (১৯৯৮), চোখের কলস (১৯৯৪), কবিয়াল (১৯৯৪), বিপ্লবে আমার বিশ্বাস (১৯৯১), কবিতা কাঁদে (১৯৮৮) কবিতার বই। গবেষণা গ্রন্থ সাহিত্যের প্রপঞ্চ (২০২৩), বাঙালি ও বাংলাদেশ (২০১৮) বাংলাদেশের উপজাতিদের শিক্ষার সংকট ও উত্তরণের প্রস্তাবনা পরিপ্রেক্ষিত পার্বত্য চট্টগ্রাম (২০০২), চলচ্চিত্র বিষয়ক গ্রন্থ ফিল্ম ওয়ালা (২০১৯), সিনেমার লেখা (২০১৬) চলচ্চিত্র বীক্ষণ (২০১১), নাট্যবিষয়ক গ্রন্থ নাট্যজনের মুখোমুখি (২০১১)।
এছাড়াও চলচ্চিত্র, নাট্য ও অন্যান্য বিষয়ে কমপক্ষে দুই শতাধিক প্রবন্ধ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ও লিটলম্যাগে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ২৯টি জাতীয় পর্যায়ের সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেছেন। তিনি নিউওয়েভ চলচ্চিত্র বিস্তা, চয়ন, একুশে পুরস্কার প্রাপ্ত পদাতিক, বার্তাজীবীসহ বেশ কটি লিটলম্যাগ সম্পাদনা করেছেন。