মোহাম্মদ আহাছানুল কবির রিটন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মুন্দার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মো. আবুল হাসেম এবং মা মনোয়ারা বেগম। রিটন ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ পত্রিকায় যোগ দেন। সেখানে তিনি প্রথমে সহ-সম্পাদক ও পরে নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত কাজ করেন। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে অদ্যাবধি ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনে স্টাফ করসপনডেন্ট হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
জীবনবৃত্তান্ত ও কর্মজীবন
রিটন একেবারে শৈশবকাল থেকেই লেখালেখির সাথে জড়িয়ে পড়েন। ইতোমধ্যে তার পাঁচটি বই প্রকাশিত হয়েছে। ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকার ঐতিহ্য প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয় তার প্রথম গ্রন্থ “যুদ্ধদিনের আশ্রয়”। এরপর ২০২০ সালে প্রকাশিত হয় লিমেরিক গ্রন্থ” একাত্তরের চানমিয়া” সমসাময়িক বিষয় নিয়ে ছড়াগ্রন্থ” বাবার কেরামতি” “ছোটদের গবেষক আবদুল হক চৌধুরী” এবং ছোটদের ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
২০১৯ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে গবেষণায় সামগ্রিক অবদানের জন্য রিটন কলম সাহিত্য সংসদ লন্ডন সম্মাননা ২০১৯ সম্মাননা লাভ করেন। রিটন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন-সিইউজে, ‘চট্টগ্রাম সাংবাদিক কো অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড’, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব, চট্টগ্রাম টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, চট্টগ্রাম রিপোটার্স ফোরাম, ফটিকছড়ি সাংবাদিক পরিষদ, বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতাল, চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি, কর্ণফুলী এক্স ক্যাডেট অ্যাসোসিয়েশনের জীবন সদস্য। ১৯৯২ সালের অক্টোবর মাস থেকে তিনি স্বেচ্ছায় রক্তদান করে আসছেন। এ যাবত তিনি ২৫ ব্যাগ রক্ত দান করেছেন। তার এক পুত্র সেহাব ইবনে আহসান ইমাদ ও স্ত্রী নাছিমা বেগম।
পেশাগত সারসংক্ষেপ ও অবদান
মোহাম্মদ আহাছানুল কবির রিটন ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এর আগে তিনি দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন।